২৫ জুলাই ২০১৪

খবরকাগজ
  • দাঁতের বিশ্বরেকর্ড।


    মুখে দাঁত আছে কটা? না বত্তিরিশখানা। ধুস! ও তো ছেলে খেলা। মুম্বাইয়ের হাসপাতালে আশিক গাওয়াইকে গিয়ে জিগেস করে দেখো একবার। ছোকরার ডান গালটা হঠাৎ বেলুনের মত ফুলে উঠতে শুরু করছিল। ব্যথাট্যথা বিশেষ নেই, শুধু গালখানা ফুলছে তো ফুলছেই। শেষমেষ গত ২১ জুলাই ২০১৪তে , মানে গত সোমবার মুম্বইতে তার অপারেশন হল মুখে। মাড়ির নিচেটা চিরে ডাক্তারদের চোখ ছানাবড়া। সেখানে গিজগিজ করছে অসংখ্য দাঁত। সর্ষের সাইজ থেকে শুরু মার্বেলের সাইজের ২৩২ খানা দাঁত সেখান থেকে উপড়ে ফেলে শেষে আশিক গাওয়াই এর নিস্তার মিলেছে।








    ------------অতল গহ্বর --------------

    কয়েকদিন আগে কিছু এঞ্জিনিয়ার সাইবেরিয়ার একটা এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলেন। জায়গাটার নাম বাঙলা করলে দাঁড়ায় "দুনিয়ার অন্ত"। তা সেইখান দিয়ে উড়তে উড়তে হঠাৎ তাঁরা নিচে যা দেখলেন তাতে তাঁদের চোখ চড়কগাছ। পায়ের নিচে মাটিতে ফুটে উঠেছে একটা দানবিক গর্ত। তার ব্যস আশি মিটার। যাত্রীরা আকাশ থেকেই তার ভিডিও তুলে নিয়ে ফিরে এলেন। গর্তের কাছে অভিযান পাঠিয়ে রহস্য আরো ঘনীভূত হয়ে উঠেছে। দেখা যাচ্ছে গর্তটার তল পাওয়া যাচ্ছে না। কত গভীর থেকে সে উঠেছে কে জানে। আরো আশ্চর্যের ব্যাপার তার চারপাশে ঘিরে রয়েছে তাজা মাটি। যেন কেউ গর্ত খুঁড়ে মাটি তুলেছে চারপাশে। ওই বিজন এলাকায় এমন গর্ত যদি আমরা খুঁড়িতে যাই তাহলে তাতে যে পরিমাণ যন্ত্রপাতি লাগবে তা ওই দুর্গম এলাকায় কারো চোখ এড়িয়ে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব। তাছাড়া গর্ত পরীক্ষার অভিযানে সেরকম কোন চিহ্নই মেলে নি গর্তের চারপাশে। রহস্যটা নিয়ে বেজায় মাথা ঘামানো চলেছে বিশ্বজুড়ে। কেউ বলছেন মাটির তলায় গ্যাসের বিস্ফোরণ। অমনি আরেকদল মাথা নেড়ে বলছেন, ধুস। অমন বিস্ফোরণ হলে আকাশে বসে থাকা স্যাটেলাইটরা টের পেয়ে পটাপট ছবি তুলে ফেলত না? ওসব কিছু নয়, এ বাপু ইউ এফ ও দের কারবার।
    অসম্ভব নয়। হয়ত কোন দূর গ্রহ থেকে কিছু বাসিন্দা এসে সটান গর্ত খুঁড়ে আমাদের পাতালে গিয়ে বাড়ি বানিয়ে বসেছে। তোমাদের কী মনে হয়? ভিডিও লিংকটা এইখানে দেখে নাওঃ http://news.sky.com/story/1302379/end-of-the-world-crater-my stery-in-siberia