২১ জুন ২০১৬

খবরকাগজ
  • ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে
    আশুতোষ ভট্টাচার্য


    মাঠের মাঝে মনের সুখে কাকতাড়ুয়া গাইছে গান
    শালিখকে কাক বলল ভায়া গান শোনা তো নিছক ফান;
    কাকতাড়ুয়া কাককে বলে তোদের আবার বড্ড ভয়
    একটা গানের দল খুলি চ’ গান শোনাব বিশ্বময়;


    এইখানে ক্লিকলে একটা গান

    এই কথাটা যেই না শোনা ছোট্ট চড়ুই লেজ তুলে
    বলল আমি গাইব কোরাস রেগুলারই গাই স্কুলে!
    উড়তে উড়তে ল্যাজঝোলা এক সঙ্গে আবার বুলবুলি
    গানের সাথে আঁকবি ছবি? আছে তোদের রং তুলি;

    লঙ্কা খেয়ে টিয়ার আবার হঠাৎ লাগে বেজায় ঝাল
    হারমোনিয়াম কে বাজাবে সেসব নিয়ে কী গোলমাল;
    কাকতাড়ুয়া ধমকে দিল মাথায় টুপি জোব্বা গায়
    ক্ষেতের মালিক গাইবে গজল সুরবাহারে তানপুরায়;

    কোকিল বলে গানের ক্লাসে কী দুষ্টুমি হট্টগোল
    কীর্তন আর বাউল গানের সঙ্গে চলে রক এন রোল;
    চাতক পাখি বলল এরা বড্ড ফাজিল, ভরসা নাই
    গাইবি কী গান তোদের চয়েস আমার কিন্তু বৃষ্টি চাই;

    চশমা চোখে প্যাঁচায় বলে গাইবি কী? যা অন্ধকার
    জোছনা রাতে ভীমপলাশি গাইবি না কেউ খবরদার!
    কাকতাড়ুয়া নিয়ম করে খানিক আদা মিশিয়ে চা’য়
    বলল দ্যাখো ধ্রুপদ, ধামার বঙ্গদেশে লুপ্তপ্রায়;
    লম্বা ঠোঁটের কাঠঠোকরা বলল আমি গান জানি
    বাবুই বলে কাঠখোট্টা গাইবে তুমি হাউ ফানি;
    হাঁড়িচাচা বলল আমার ডিগ্রি তো রাগ সঙ্গীতে
    গাইব ইমন বেহাগ পিলু একশো রকম ভঙ্গিতে;

    এইখানে ক্লিকলে আরেকটা গান

    ইগলু টিগলু বানিয়ে শেষে পৌঁছে দেখে পেঙ্গুইন
    বলল আমি ড্রাম বাজাব একটুখানি সুযোগ দিন;
    পরিযায়ী পাখির গলায় দেশ বিদেশের নানান সুর
    বলল জান এখান থেকে সাইবেরিয়া অনেক দূর;

    বক এসেছে লম্বা গলা লাজুক ভারী লম্বা ঠ্যাং
    বৃষ্টি দেখে ব্যাঙগুলো সব গান ধরেছে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ;
    সাত সমুদ্র তের নদী পেরিয়ে এলো শঙ্খচিল
    বলল আমি সুর দিয়েছি শুনবে নাকি জ্যাক এন জিল?

    ক্লিকে দেখো এইখানে আরো এক গান

    কাঠবেড়ালি বেজায় খুশি ঘুরিয়ে মাথা নাড়িয়ে লেজ
    বলল শামিয়ানা খাটাও বাইরে ভীষণ রোদের তেজ;
    তাড়াহুড়োয় কাকতাড়ুয়ার হ্যান্ডবিলেতে ছাপার ভুল
    চারদিকে সব দারুণ খুশি উড়ছে ঘুড়ি, বুড়ির চুল
    ২১ তারিখ সন্ধ্যেবেলা শুনতে গানের অনুষ্ঠান
    সঠিক ছটা একতিরিশে গাইবে সবাই কোরাস গান।।