Notice: Use of undefined constant dbcon - assumed 'dbcon' in /home/sristi29/public_html/joydhak/joydhak/includes/config.php on line 51
দেশি রোবটের কীর্তি

১৮ এপ্রিল ২০১৪

খবরকাগজ
  • তিরুনেলঠেলির কাছে একটা গ্রামে তিন বছরের একটা ছেলে চারশো ফুট গভীর একটা আট ইঞ্চি ব্যাসার্ধৠর নলকুপের পরিত্যক্ত গর্তে পড়ে গিয়েছিল। মুখ থেকে পনেরো মিটার গভীরে আটকে ছিল সে। এ অবস্থায় সাধারণত কুয়োর পাশে আরেকটা গর্ত খুঁড়ে তারপর তার মধ্যে দিয়ে সুরংগ বানিয়ে দুর্ঘটনাগৠরস্তের কাছে পৌঁছে উদ্ধার করবার চেষ্টা হয়।

    কঠিন পাথুরে জমিতে সে চেষ্টা যখন ব্যর্থ হয়ে ছেলেটার জীবনের আশা ছেড়ে দেবার জোগাড় তখন মাদুরাইয়েঠ° এক মাস্টারমশা ই মনিকান্দন এলেন নিজের তৈরি পাঁচ কেজি ওজনের একটা রোবট নিয়ে। সঙ্গে ছিলেন তাঁর উদ্ধারকারৠ€ দলের আরো তিন সদস্য তিরুনাভুকৠকারাসু, ভাল্লারাসু আর ড্রাইভার রাজকুমার।

    জিনিসটা একটা চোঙের মত ধাতব ফ্রেম। তার গায়ে লাগানো শক্তিশালী ক্যামেরা কুয়োর ভেতর গভীর অন্ধকারেও ছবি তুলতে পারে। মাথায় লাগানো হুকে দড়ি পরিয়ে রোবটকে নামিয়ে দেয়া হল নলকুপের ফুটো দিয়ে। তার গায়ে লাগানো ছিল চারটে রবারের শক্তপোক্ত হাত।


    একটু বাদেই কুয়োর ওপরে বসানো কম্পিউটার মনিটরে ছেলেটার ছবি পাঠাতে শুরু করল রোবট। তার অবস্থান দেখে দেখে ওপর থেকে নির্দেশ পাঠানো শুরু হল। রোবট তার রবারের হাত দিয়ে চেপে ধরতে গেল ছেলেটাকে। ওদিকে সে ছোকরা এমনিতেই তখন ভয়ে কাতর। রার ওপরে à¦•à¦¿à¦®à§à¦­à§‚à¦¤à¦•à¦¿à ®à¦¾à¦•à¦¾à¦° হাতগুলো দেখে সে ভয়ে অস্থির হয়ে ঠেলে সরিয়ে দিচ্ছিল সেগুলোকে।

    শেষমেষ রোবটকে তুলে এনে তার হাত পালটে লোহার হাত লাগিয়ে দেয়া হল। এইবার ফের কুয়োয় নেমে সে লোহার হাত দিয়ে পাকড়ে ধরল ছোকরাকে। হাতে লাগানো সেনসরের তথ্য ক্রমাগত বিশ্লেষণ করে করে সে ঠিক করছিল ঠিক কতটা চাপ দিলে ছোকরাকে কাবুও রাখা যাবে আবার হাড়গোড়ও ভাংবে না। à¦¹à¦¿à¦¸à§‡à¦¬à¦¨à¦¿à¦•à§‡à ¶ করে ছেলেটাকে পাকড়ে ধরবার পর দড়ি গুটিয়ে তুলে আনা হল রোবটকে।

    অসাধারণ এই যন্ত্রটা মনিকান্দন বানিয়েছেন দুহাজার তিন সনে তার নিজের ছেলে এইরকম অন্য একটা কুয়োয় পড়ে যাবার পর। এখন তিনি দল বেঁধে কুয়োয় পড়া বাচ্চাদের উদ্ধার করে বেড়ান। তাঁর ছেলের মত আর কোন বাচ্চার যেন এমন দুর্গতি না হয় সেইটেই তাঁর স্বপ্ন। হাজার ফুট গভীরতা থেকেও দুর্ঘটনাগৠরস্তকে উদ্ধার করে আনতে পারে এই যন্ত্রমানু ষ।

    এমন সাংঘাতিক কেজো একটা রোবট গড়তে তাঁর খরচ হয়েছে কিন্তু মাত্র ষাট হাজার টাকা! বড় কোন বিদেশী à¦—à¦¬à§‡à¦·à¦£à¦¾à¦•à§‡à¦¨à §à¦¦à§à¦°à§‡à¦“ ছুটতে হয় নি তাঁকে। ভাবো একবার!

    এ মানুষটার যেমন বড় হৃদয় তেমন বড় মাথা।

    এবার থেকে বাড়ির বড়দের যখন বলতে শুনবে আমাদের দেশে অনেক দুষ্টু লোক থাকে তখন তাঁদের মনিকান্দনৠর গল্প শুনিও তোমরা। আর বোলো, আমাদের দেশটাতেও অনেক ভালো ভালো বৈজ্ঞানিক আছে। অনেক ভালো বড় হৃদয়ের মানুষও আছে।

    এমন একজন মানুষের সঙ্গে এক দেশে থাকতে পেরে আমি গর্বিত।